ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ায় দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে আমদানিকৃত ও দেশীয় দুই ধরনের পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। আর দেশীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুদিন আগেও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে বর্তমানে তা বেড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশীয় পেঁয়াজ আগে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, আমদানি কমায় বন্দরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারেও।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলেন, বর্তমানে দেশীয় পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় বাজারে এর সরবরাহ কমে গেছে। তাই মোকামেই পেঁয়াজের দাম উর্ধ্বমুখী। এ কারণে আবার দেশীয় পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে। তাই এর দামও বাড়ছে। বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম কমে আসবে বলে জানিয়েছেন তারা।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে গত ১৭ আগস্ট হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতির দিকে ছিল। কিন্তু সরকার ১৯ আগস্ট আবারো ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া বন্ধ করে দেয়। আগের দেয়া অনুমতির বিপরীতে এখন সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। দেশের বাজারে পণ্যটির চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে।
দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ব্যবসায়ীদের আটকে পড়া পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করাতে আমদানির অনুমতি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।